পোস্টগুলি

অতি সভ্যতার আগুন: ইরান–মার্কিন পাল্টাপাল্টি হামলা ও আমাদের নৈতিক সংকট

ছবি
  — Md Mahamudul Hasan সম্প্রতি Iran–এ মার্কিন হামলা এবং তার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে ইরানের পাল্টা আঘাত—এই ঘটনাপ্রবাহ শুধু দুই রাষ্ট্রের সংঘাত নয়; এটি আজকের বিশ্বসভ্যতার নৈতিক পরীক্ষাও। প্রশ্ন একটাই: প্রযুক্তি ও সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা কি সত্যিই সভ্যতার প্রমাণ, নাকি আমরা কেবল ধ্বংসের উপকরণকে আরও নিখুঁত করেছি? United States দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে প্রভাবশালী শক্তি। অপরদিকে Iran নিজস্ব ভূরাজনৈতিক স্বার্থ ও নিরাপত্তা যুক্তি তুলে ধরে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে সক্রিয়। এই দুই শক্তির সংঘর্ষ নতুন নয়; তবে সাম্প্রতিক হামলা–পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করেছে। কারণ এ সংঘাত কেবল সীমান্তে থেমে থাকে না—এর ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার এবং সাধারণ মানুষের জীবনে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাতের খবর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একইসঙ্গে ইরানে সামরিক হামলার ঘটনাও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে নড়বড়ে করেছে। শক্তির এই প্রদর্শন আসলে কাদের জন্য? রাষ্ট্রের মর্যাদা রক্ষার নামে যদি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে সে...

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা সংস্কার: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা

ছবি
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা যে কারিকুলামের আলোকে পরিচালিত হচ্ছে, তার বড় কাঠামোগত সূচনা হয়েছিল ২০১২ সালের দিকে। সেই প্রক্রিয়ার মূল দায়িত্বে ছিল জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) । কিন্তু বাস্তবতা হলো—২০১২ আর ২০২৬ এক নয়। সময়ের ব্যবধানে ১৪ বছর, আর ২০০১ থেকে ২০২৬—এই ২৫ বছরের দীর্ঘ পরিসরে সমাজ, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার ধরন আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—আমাদের শিক্ষা কাঠামো কি সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পেরেছে? পরিবর্তিত বিশ্ব, পরিবর্তিত দক্ষতার চাহিদা এক সময় শিক্ষার মূল লক্ষ্য ছিল তথ্য আহরণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। কিন্তু এখন তথ্য হাতের মুঠোয়। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—এসবের যুগে মুখস্থ বিদ্যার গুরুত্ব ক্রমশ কমছে। বর্তমান বিশ্বে যেসব দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি— সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি (Critical Thinking) সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা যোগাযোগ দক্ষতা সৃজনশীলতা প্রযুক্তি ব্যবহার দক্ষতা দলগত কাজের মানসিকতা এই দক্ষতাগুলো পরীক্ষার খাতায় মুখস্থ লিখে প্রমাণ করা যায় না; এগুলো অর্জন করত...

দল নয়, মানুষ: একটি দলনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন

ছবি
লেখক: Md Mahamudul Hasan বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটিরও বেশি মানুষের এই রাষ্ট্রে সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত, উত্তেজনা ও সংঘাত—সবকিছু ঘুরপাক খায় দলীয় কাঠামোর ভেতরেই। দল মানেই মতভেদ—এটি স্বাভাবিক। কিন্তু দল মানেই যদি দলাদলি, সহিংসতা, ক্ষমতার লড়াই এবং পারিবারিক উত্তরাধিকার—তবে প্রশ্ন তুলতেই হয়: আমরা কি অন্য কোনো পথ কল্পনা করতে পারি না? আমি বিশ্বাস করি, জনগণের সরাসরি ভোটাধিকার অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু সেই ভোট কোনো দলীয় প্রতীক বা ব্যানারের অধীনে নয়—বরং ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। দলনিরপেক্ষ কিন্তু গণতান্ত্রিক আমার প্রস্তাব একটি দলনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা, যেখানে— সব প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন শিক্ষাগত, পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ড বাধ্যতামূলক হবে দুর্নীতিমুক্ত ও অপরাধমুক্ত রেকর্ড থাকতে হবে সম্পদ ঘোষণা বাধ্যতামূলক থাকবে এতে জনগণ ব্যক্তি নির্বাচন করবে, দল নয়। মন্ত্রণালয়ভিত্তিক সরাসরি নির্বাচন প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ খাত—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থ, কৃষি—এর জন্য আলাদা নি...

বৃত্তি পরীক্ষা ও শিশুর অধিকার: বৈষম্যের বিপরীতে যুক্তির ভাষা

ছবি
– হাওয়াই মিঠাই ব্লগে একজন সচেতন অভিভাবকের লেখা আলোচনার সূত্রপাত সম্প্রতি ৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সরকার যখন কিন্ডারগার্টেন এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষার আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সমাজে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কারও কাছে এটি শিশুদের জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ, আবার অনেকের দৃষ্টিতে এটি একটি স্পষ্ট বৈষম্য। এই লেখায় আমি কোনো পক্ষকে ছোট করতে চাই না। বরং বলতে চাই, শিক্ষা যেন প্রতিযোগিতা নয়, অধিকার হয়ে থাকে । কিন্ডারগার্টেনের উত্থান: বাস্তবতা না বোঝার ফাঁক বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেন ব্যবস্থার শুরু হয়েছিল ১৯৭০-এর দশকে , শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর চাহিদা পূরণে। আজ তা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা-উপজেলা ছাড়িয়ে গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে কিন্ডারগার্টেনে ১৫-২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অনেক পরিবারই সীমিত আয়ের মধ্যেও সন্তানের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায়। আমরা কেউ চাই না বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অহরহ গজিয়ে উঠুক। আমরা চাই— প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুর বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করুক। ...

শিশুদের খেলাধুলা ও স্বাস্থ্য: বিকাশের ভিত্তি

ছবি
ভূমিকা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশু মানেই একটি সদা-কৌতুহলী ও শক্তিতে ভরপুর প্রাণ, যার স্বাভাবিক প্রবণতা হলো দৌড়ানো, লাফানো, আবিষ্কার করা ও মেতে ওঠা নানান খেলায়। তবে আধুনিক সময়ে প্রযুক্তির অপব্যবহার, নগরায়ণ, জায়গার অভাব ও পরীক্ষানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে শিশুদের খেলাধুলা ও স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা সময়ের দাবি। খেলাধুলা ও শারীরিক স্বাস্থ্য শিশুদের সুস্থ জীবনের জন্য নিয়মিত খেলাধুলা অপরিহার্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, ৫-১৭ বছর বয়সী শিশুদের প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা উচিত। এই সক্রিয়তা শিশুর হাড়, পেশি, হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। নিয়মিত খেলাধুলা করলে – স্থূলতা প্রতিরোধ করা যায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় হজমশক্তি ও ঘুমের মান উন্নত হয় মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, ফলে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটে ফুটবল, ক্রিকেট, দৌড়, সাঁতার কিংবা দড়িলাফ – যে কোনো ধরণের খেলাধুলা শিশুদের শরীরকে সচল রাখে এবং রোগ-ব্যাধির ঝুঁ...

বাংলাদেশের কবি পরিচিতি

ছবি
বাংলাদেশের সাহিত্য ভাণ্ডারে অনেক গুণী কবি জন্মগ্রহণ করেছেন। নিচে বাংলাদেশের সেরা ১০ জন কবির সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনী দেওয়া হলো: ১. কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯–১৯৭৬) জাতীয় কবি হিসেবে খ্যাত। তাঁর লেখায় বিদ্রোহ, মানবতা, সাম্য এবং প্রেম ফুটে ওঠে। "বিদ্রোহী" কবিতাটি তাঁকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত করে তোলে। গান, কবিতা, প্রবন্ধসহ সব শাখায় তাঁর অবদান অসামান্য। কলকাতায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে জাতীয় কবির মর্যাদা পান। ২. জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯–১৯৫৪) বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, নৈঃশব্দ্য, একাকিত্ব, ও সময়ের দর্শন ফুটে ওঠে। "বনলতা সেন", "রূপসী বাংলা" তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। তিনি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। ৩. শামসুর রাহমান (১৯২৯–২০০৬) বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকামী কবিতা আন্দোলনের পুরোধা। "আসাদের শার্ট", "তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা"—এর মতো কবিতায় মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি ঢাকা শহরেরই সন্তান। ৪. আল মাহমুদ (১৯৩৬–২০১৯) আধুনিক বাংলা কবিতায় গ্রামীণতা, ইসলামি চেতনা ও ঐতিহ্যক...

শিশুদের বর্তমান অবস্থা: বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপট

ছবি
ভূমিকা শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের সুস্থ ও সুষ্ঠু বিকাশ নিশ্চিত করা একটি রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শিশুদের জীবনমান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা বিদ্যমান। এই প্রতিবেদনে বর্তমান বাংলাদেশের শিশুদের সার্বিক অবস্থা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হবে। শিশু অধিকার ও বাস্তবতা জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার রয়েছে—যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, পুষ্টি ও সুরক্ষা। বাংলাদেশ সরকারও এই সনদের সদস্য। তবে বাস্তবতায়, দেশের শিশুরা এখনও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দরিদ্রতা, শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, অপুষ্টি, শিক্ষার অভাব ও সহিংসতার মতো বিষয়গুলো শিশুদের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বেশ উন্নতি হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা এবং পুষ্টি সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনও অপুষ্টির হার উচ্চ। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারগুলোর শিশুরা পর্যাপ্ত পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বা...

সংস্কৃতি সংবাদঃ নাট্যকার ফিরোজ আলমকে নাট্যজন সম্মাননা

ছবি
আতিকুর রহমান মিরাজ| |শিল্প সংস্কৃতিঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে  অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প সংস্কৃতি পৌঁছে যাবে শহর,নগর ও গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতি বছর সাংস্কৃতির বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫ জন গুণী শিল্পীকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন।তারই অংশ হিসেবে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমীর মিলনায়তনে ২০১৮ থেকে ২০২২ এর ২৫ জন গুণী শিল্পীকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করে পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি।   নাট্যকলায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য  নির্বাচিত গুনীজন হিসেবে ২০২০ এর সম্মাননা পুরস্কার গ্রহন করেছেন কলাপাড়া উপজেলার গর্ব, আলোর দিশারী,সংস্কৃতি চর্চার বাতিঘর প্রবীণ কবি ও নাট্যকার ফিরোজ আলম।   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ নূর কুতুবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা মন্ত্রণালয়ের  সাবেক সচিব ধীরাজ মালাকার,বীর মুক্তিযোদ্...

এসো বাংলাদেশকে জানি || ড. মুহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী

ছবি
প্রিয় বন্ধুরা আজ আমরা আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে জানবো। তোমরা সবাই জানো আমাদের দেশের নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। এ দেশের রাজধানী ঢাকা। বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকে ভারত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার অবস্থিত। আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ ও বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর। এদেশের প্রধান ভাষা বাংলা এবং মুদ্রার নাম টাকা। বন্ধুরা, তোমরা জানো এদেশের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস।  গঙ্গাঋদ্ধি বা গঙ্গরিডই বাঙালিজনের প্রথম শক্তিশালী রাষ্ট্র। প্রায়  দুই হাজার তিনশত (২৩০০) বছর আগের ইতিহাস গ্রিক-রোমান লেখক ও ঐতিহাসিকদের বর্ণনা বিশ্লেষণ করে অধিকাংশ পন্তিতই মত পোষণ করেন যে, গঙ্গাঋদ্ধি বা গঙ্গারিডই বাঙালির প্রাথমিক কালের পরাক্রম রাষ্ট্র। প্রাচীনকালে বাংলায় বঙ্গ নামে একটি জনপদ ছিল। কালক্রমে এ অঞ্চল বাংলা নামে পরিচিতি লাভ করে। আজকের বাংলাদেশের ভিন্ন ভিন্ন অংশ ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত ছিল। ঐতরেয় অরণ্যক নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম ‘বঙ্গ’ নামের উল্লেখ দেখা যায়। বঙ্গ বা বাংলা নামের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট মতপার্থক্য রয়েছে। বৈদিক যুগে রচিত বিভি...

এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি|| কালাম মাহমুদ

ছবি
  নরসিংদী জেলার শিশুকিশোর মুখপত্র হাওয়াই মিঠাই কে দেয়া বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক গবেষক প্রফেসর কালাম মাহমুদ এর বিশেষ সাক্ষাৎকার "এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি " সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন হাওয়াই মিঠাই সম্পাদক এম. মাহামুদুল হাসান। হা.মিঃ স্যার, আস্সালামুআলাইকুম কেমন আছেন? কালাম মাহমুদঃ পরম করুণাময়ের দয়ায় ভালো আছি। ধন্যবাদ। হা.মিঃ আপনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এ ছাড়াও আপনাকে আমরা অনেকভাবে চিনি। অনেকগুলো অত্যন্ত সম্মানের পদ ও পদবী আপনার রয়েছে। এর মধ্যে কোন্ পরিচয়টা দিতে আপনি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন? কালাম মাহমুদঃ ধন্যবাদ প্রশ্নটা সহজ নয়। সবার জীবনেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িয়ে থাকে। সেখান থেকে একটি নির্বাচন করা সত্যি কঠিন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। এটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। একাত্তর সনে ষোল বছর বয়সে ভারত থেকে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ৩ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। তারপর স্বাধীন দেশে আমার শিক্ষা ও কর্ম জীবন। লেখক ও গবেষক হিসেবে আমার এগারোটি মৌলিক গ্রন্থ দেশ-বিদেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০১৪ সনে স্বর্ণপদক ও শি...

ফজলুল হক মিলনের ছড়াঃ বাবা বিশাল ছাতা

ছবি
ফুলের সাথে ভাব আছে খুব ফুল যে আমার প্রিয়,  তোকে দিলাম ফাইজা সোনা লাল টুকটুক জবা, বর্ষাকালে কদম ফুলের সুঘ্রাণ তুমি নিও সাওয়াদ সোনা বড় হলে, হবে আলোর প্রভা।  ঢোলকলমী, শাপলা শালুক, বেলী বকুল জুঁই  অলস দুপুর, ক্লান্ত বিকেল সব নিয়ে নিস তোরা  নক্সীকাথায় ছবি আঁকা, রঙিন সূতো, সুই,  সবই তোদের, আমার জন্য শুধুই টাট্টু ঘোড়া। তোদের লাগি খোলা আকাশ, তোদের উড়ার পাখি, ও বাছাধন অবাক হলি, বাবা বিশাল ছাতা, বৃষ্টিভেজা মেঘলা দিনে বই গুছিয়ে রাখি আমি বলি তোরাই আমার নতুন ছড়ার পাতা। ফজলুল হক মিলন (বিশিষ্ট ছড়াকার , সাংবাদিক, কবি)

বাংলা কবিতা: ইতিহাসের বাংলাদেশ

ছবি
  ফিজা ওমেরা স্বাধীনতার সুপ্ত বীজ প্রতিক্ষিত ৪৭। দ্বি-জাতি তত্ত্বে গঠিত ভারত ও পাক, দিয়ে গেল সাম্প্রদায়িক চেতনার ছাপ। ঠিক তখনই পেলো বাঙালি, পূর্ব পাকিস্তান নামক ভূখন্ড। কিন্তু কে জানিত পাকিদের ষড়যন্ত্র? তবু সব মেনে নিয়ে করিল বাঙালি সংযম। পাকরা তাও ছিনিতে চাহিল মোদের বচন। রাজপথ রাঙিল কত তাজা প্রাণে, বায়ান্ন'র ময়দানে। "সেই অনুপ্রেরণায়, যদি না হতো ৫৪, ৫৬ না হতো ৬২, ৬৯ তাহলে পেতামনা হয়তো, হৃদয়ের ৭১। যদি না পেতাম প্রানের মুজিব, না পেতাম ৭ই মার্চ তাহলে কি থাকত আমার, প্রানের স্বাধীনতা আজ। স্বাধীন দেশে স্বাধীন অষায়, গল্প করি কত। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলে, ঘুরি ইচ্ছেমত। কর্ণফুলি টানেল দিয়ে নদীর নিচে ঘুরি। বঙ্গবন্ধু স্যার্টলাইটে, আকাশেতে উড়ি।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার অজানা গল্প

ছবি
আমাদের গ্রামের নাম পীরপুর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত একটি গ্রাম। সেই গ্রামের একজন সূর্য সন্তানের গল্প বলছি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর দিকে আমাদের গ্রামের সব তরুণদের মতো তিনিও গ্রাম পাহারা দিতেন। গ্রামে তৎকালীন সময়ে বাম রাজনীতির ঘাঁটি ছিল। সেখানে গোপনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো। যা পাকিস্তান সরকার জানতো। ফলে গ্রামে প্রায় সময়ই পাকিস্তানিরা হামলা করতো এবং সাধারন মানুষকে নির্যাতন করত। এসব দেখে সেই মুক্তিসেনা শুধু গ্রাম পাহারায়ই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন নি। চেয়েছিলেন লড়াই করে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে। এছাড়াও একটি বিষয় তিনি সর্বদা ভাবতেন। তিনি মনে করতেন তাঁর চেয়ে যারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারীরা যদি যুদ্ধ করতে পারে, তাহলে সে কেন পারবে না? তিনি ও সংকল্প করলেন যুদ্ধে যাবেন। তারপর তিনি তাঁর ভাবনার কথা তাঁর বাবা কে জানান, বাবা রাজি হলেন। বাবার সম্মতিক্রমে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৯৭১ সালের ১৪ জুন তিনি ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ওখানে গিয়ে তিনি সর্বপ্রথম বামদের একটি ঘাঁটি (গ্রাফস হোস্টেল ) আগরতলায় যান। সেখান থেকে যান ছাত্র ইউনিয়ন ক্যাম্প বরদোয়ালি। বরদোয়ালি থেকে তখনকার অগ্নিকন্যা বেগম মতিয়া চৌধু...

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা: জাতির পিতা

ছবি
দেখিনি তোমাকে আমি শুনেছি তোমার কথা হে জাতির পিতা। তুমি ছিলে বাংলার কোটি কোটি মানুষের রক্তে রাঙানো তাজা ফুল, তুমি ছিলে ছেলে হারা স্বজন হারা হাজারো মায়ের কান্না তাদের ছিল না কোনো কোল। বহুদিন থেকে রক্ত বিলিয়ে ছিনিয়ে আনলে তুমি, মহান স্বাধীনতা হে জাতির পিতা। অনন্যা রানী দাস ৬ষ্ঠ শ্রেণি 

রেজামারার লোমহর্ষক সত্য ঘটনা

ছবি
সালটা ১৯৭১। বাংলাদেশ অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে তখন পুরোদমে যুদ্ধ চলছে, মুক্তিযুদ্ধ। যে যুদ্ধে প্রাণ ঝড়িয়েছেন ত্রিশ লাখ মানুষ, সম্ভ্রম হারিয়েছেন লক্ষাধিক মা-বোন। হ্যাঁ, আমি বাংলাদেশের সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের কথাই বলছি। গল্পটা তাহলে শুরু থেকেই বলি, বাঙালি জাতি সাক্ষী হচ্ছে এক রক্তক্ষয়ী মহাপ্রলয়ের। দেশের প্রতিটি জায়গায় তখন মুক্তিবাহিনীর বিস্তৃতি। পাক হানাদারদের ক্ষমতা নিশ্চিহ্ন হয়েছে, অনিশ্চিত হয়েছে তাদের জীবন। একই অবস্থা তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদেরও। একবার মুক্তিবাহিনীর হাতে পড়লে আর রক্ষা নেই। মৃত্যু নিশ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের হাতেই। মুক্তিযুদ্ধের একদম শেষ পর্যায়ে দেশ স্বাধীনের দু-তিন দিন আগে পুরো দেশে প্রচুর পরিমাণে দেশদ্রোহী রাজাকারদের হত্যা করা হয়েছে। সম্ভবত, জয় নিশ্চিত জেনেই বাঙালিরা বুকে বল সঞ্চয় করে অস্ত্র হাতে কঠোরভাবে দমন করতে পেরেছিল এই পাষণ্ড দেশদ্রোহীদের। নরসিংদী জেলার অন্তর্গত বেলাব উপজেলা। বেলাব উপজেলার অনেক জায়গায় মুক্তিযুদ্ধের বেশ কিছু ধ্বংসাবশেষের চিহ্ন এখনও বিদ্যমান। এসকল ধ্বংসাবশেষ নিঃসন্দেহে প্রমাণ করে যে, মুক্তিযুদ্ধ ঠিক কতটা ভয়াবহ এবং লোমহর্ষক ছিল। এমনই একটি ...

বাংলা ছড়া : তানজিলা কাওছার

ছবি
শীতের আগমন সেজেছিল প্রকৃতি বেশ হেমন্ত হলো শেষ, শীত হলো শুরু মন হলো উড়ু উড়ু , কনকনে হাওয়ায় হৃদয় মাতায়। গাছের পাতা ঝরে পাখির দল উড়ে চলে, মানুষ আগুন পোহায় শীতের বেলায়।

আবু হেনা তিমুর ছড়া: গাঁয়ের অখ্যাতি

ছবি
তোমাদের এই গ্রামে নেই ভাল চা, লাল চায়ে নুন দেয় গুলায় যে গা। নুন ছাড়া চা হয় না—তোমাদের আইন, এটা কোনো চা, না কি গরম স্যালাইন? দুধ চায়ে দেয় তারা ভাতেরই ফ্যান, দুধ চা না বলে ফ্যান-চা বল না ক্যান? লিকার হালকা কেন—জিগাইলে কেউ চা দোকানী তেড়ে আসে করে ঘেউ ঘেউ। টাকা দিয়ে চা খামু, যেমনটা চাই তেমন দিবা না কেন শালীর জামাই? তোমাদের ভাত নাই, পাতিল ডাগর— কোন দুঃখে নাম দিছ বাংলানগর? ছড়াকারঃ আবু হেনা তিমু অডিওভিজুয়াল এক্সপার্ট অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট

গল্প : বাকিটা রহস্য

ছবি
বুক থেকে বিরাট একটা পাথর নেমে গেল। স্কুল ছুটি হয়ে গেছে। পুরো ডিসেম্বর কেবল মজা আর মজা। আমার নাম লিখন, ক্লাস সেভেনে পড়ি, মানে পড়তাম, এখন এইটে। স্কুল এবং কোচিংকে একমাসের ছুটি দিয়ে বাসায় ফিরছি। পেছন থেকে দৌড়ে এসে কে যেন কাঁধে ধরল। রাফাত, রোগা-পাতলা, চোখে চশমা। ওকে আমার ঠিক আমার বয়সী লাগে না। কথাবার্তা খুব গম্ভীর প্রকৃতির, তবে প্রচন্ড পড়ুয়া ছেলে। বলতে গেলে তাকে আমার কাছে ছোটখাটো সাইন্টিস্ট মনে হয়। ভুল বললাম, শুধু আমার না। আমরা সবাই ওকে সাইন্টিস্ট বলে ডাকি । সারাদিনই কোন না কোন এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে পড়ে থাকে। বাসার ছাদে একটা ছোট্ট ঘর আছে রাফাতের। সেখানে সে ছোটখাট একটা ল্যাবরেটরি তৈরি করেছে।দেখলে মনে হয় অনেক ব্যয়বহুল একটা গবেষণাগার। কিন্তু রাফাত কথা, "এটা সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে আরও কিছু কাজ করতে হবে। কী কাজ জানতে চাইলে "রাফাত ভ্রু কুচক্রে মাথা নাড়তে নাড়তে -- "আছে দোস্ত, কাজ আছে, সময় হলেই জানবি।" সে কোন সময়ের কথা বোঝাতে চায় আমরা তা বুঝতে পারি না। অবশ্য তা নিয়ে মাথাও ঘামাই না। রাফাতের সব কথাই ভারী রহস্যময়। আমরা পাশাপাশি হাঁটছি। "দোস্ত, তোর সাথে কিছু কথা ছিলো রে...

ভ্রমন কাহিনী: পদ্মা সেতুতে এক রাত

ছবি
  ৩ মে, ২০২৩, প্রথম পার্বিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের পরীক্ষা সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২ টা বাজে শেষ হয়। বাসায় আসতে প্রায় ১টা বেজে গেছে। বাসায় এসে গোসল করে খাওয়ার সময় শুনতে পেলাম আমরা নাকি আজকে ঘুরতে যাবে। আমরা মাঝে মধ্যেই ঘুরতে যাই। কিন্তু হঠাৎ পরীক্ষার মধ্যে কেন ঘুরতে যাবো তা বুঝতে পারলাম না। আমার পরবর্তী পরীক্ষা ছিল ৭ তারিখ অর্থাৎ রবিবার তাই আমার কোন সমস্যা ছিল না। দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিলাম। বিকেলে বাবা বাসায় আসল। জানতে পারলাম আজকে বাবু অঙ্কেলের- জন্মদিন। আব্বু বলল তাই আজকে আমরা পদ্মা সেতুতে ঘুরতে যাবো। আমি শুনে খুবই খুশি হলাম। কারণ আমার খুব ইচ্ছা ছিল পদ্মা সেতুতে ঘুরতে যাওয়ার। পদ্মা সেতু হলো আমাদের দেশের মেগাপ্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমি, আম্মু, আব্বু ,ছোট বোন মম, মেজ ফুপিও মেজ মামা আমরা সকলে একসাথে রাত্র ৯ টার সময় বের হলাম। আমাদের সকলের একসাথে যাওয়ার জন্য গাড়ি ভাড়া করা হয়েছে। আমাদের সাথে বাবু অঙ্কেলের পরিবার, রুবেল অঙ্কেল ও সামি ভাইয়া সহ আরও ৩ (তিন)  জন ছিলাম আমরা সবাই রাত ৯ টায় রওনা হলাম। আমরা খুব আনন্দ উল্লাস নিয়ে ঢাকায় ঢুকলাম। কিন্তু যাত্রাবাড়...

এমদাদুল ইসলাম খোকনের ছড়া

ছবি
  (১) গাঁয়ের ছবি আঁকতে বলো আমায় তুমি গাঁ গেরামের ছবি  কওতো দেখি আমিকি আর তোমার মত কবি? আঁকতে গেলে হাত চলে না লিখতে গেলে কলম ফুল আঁকিলে যায় দেখা যায় জাতি সাপের ছলম। আমায় নিয়ে ঠাট্টা করা তোমার কি ভাই সাজে আমি তো আর ভুল ধরি না তোমার কোন কাজে? আমরা হলাম খেটে খাওয়া বনেদি জাত তোমরা মাচার   লাউ নষ্ট  করে দুষ্ট কটা ভোমরা।। গাঁয়ের ছবি মায়ের ছবি আমায় বল আঁকতে কানধরেছি আঁকবো নাতো দেহে  পরান থাকতে। (২) চোখ বুঝিলে বাবা তোমায় আধাঁর রাতে জোনাক জ্বলে একলা একা খোকন চলে - আম কাঠালের বনে, বাবা তুমি কোথায় গেলে একলা একা আমায় ফেলে এখন পরে মনে।। সোনা রুপারসেইকারুকাজ সেই সোনালী দিনগুলি আজ হারিয়ে গেছে কবে - তোমার স্মৃতি ধারণ করি খেড়োখাতার লেখা পড়ি আমরা যারা সবে। পা ফেলানোর জায়গা তো নয় মাথার পরে কঠিন সময় বুকের ভেতর ছাই - অতীত ডেকে বলছে আমায় চোখ বুঝিলে বাবা তোমায় ঠিকই দেখতে পাই।। বাবা তুমি স্বপ্ন গাঁথা সবুজ গাছের ঝরা পাতা তোমায় নিয়ে ভাবি - তুমি ছিলে জীবন জুড়ে নাই বলেই হৃদয় পুড়ে বদ্ধ ঘরের চাবি।। জীবন গাঙে নায়ের মাঝি ...