পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা সংস্কার: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা

ছবি
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা যে কারিকুলামের আলোকে পরিচালিত হচ্ছে, তার বড় কাঠামোগত সূচনা হয়েছিল ২০১২ সালের দিকে। সেই প্রক্রিয়ার মূল দায়িত্বে ছিল জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) । কিন্তু বাস্তবতা হলো—২০১২ আর ২০২৬ এক নয়। সময়ের ব্যবধানে ১৪ বছর, আর ২০০১ থেকে ২০২৬—এই ২৫ বছরের দীর্ঘ পরিসরে সমাজ, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার ধরন আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—আমাদের শিক্ষা কাঠামো কি সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পেরেছে? পরিবর্তিত বিশ্ব, পরিবর্তিত দক্ষতার চাহিদা এক সময় শিক্ষার মূল লক্ষ্য ছিল তথ্য আহরণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। কিন্তু এখন তথ্য হাতের মুঠোয়। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—এসবের যুগে মুখস্থ বিদ্যার গুরুত্ব ক্রমশ কমছে। বর্তমান বিশ্বে যেসব দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি— সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি (Critical Thinking) সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা যোগাযোগ দক্ষতা সৃজনশীলতা প্রযুক্তি ব্যবহার দক্ষতা দলগত কাজের মানসিকতা এই দক্ষতাগুলো পরীক্ষার খাতায় মুখস্থ লিখে প্রমাণ করা যায় না; এগুলো অর্জন করত...