শিক্ষা না কোচিং: আমরা কোন পথে হাঁটছি?
মাননীয় স্পিকার, আজ স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে রাস্তার পাশে বড় বড় কিছু সাইনবোর্ড চোখে পড়ল। সেগুলো সবই গার্লস ও বয়েজ স্কুলে ভর্তি কোচিংয়ের বিজ্ঞাপন। দৃশ্যটি নতুন কিছু নয়, কিন্তু বারবার চোখে পড়লে প্রশ্ন জাগে—আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি? কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করছি, ক্লাসের মেধাবী কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে আসছে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তারা স্কুল সময়েই কোচিংয়ে ব্যস্ত। বিষয়টি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গভীর সংকটের প্রতিফলন। আমরা এমন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে বিদ্যালয় বা কলেজের পাঠদান যেন ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে—শিক্ষার মূল চাবিকাঠি এখন আর বিদ্যালয়ে নয়, বরং কোচিং সেন্টারের হাতে। সেখানে অল্প সময়ে, সীমিত পরিসরে, “পরীক্ষায় আসবে”—এমন কিছু নির্দিষ্ট অংশ পড়িয়ে ভালো ফলাফলের নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে। ফলে পুরো বই পড়া, বিষয়বস্তুকে গভীরভাবে বোঝা বা সৃজনশীল চিন্তার চর্চা—এসব যেন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে। এই প্রবণতা আমাদের জন্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে আমরা একই চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি। গতানুগতিক শিক্ষা পদ্ধতি, পরীক্ষাভিত...