পোস্টগুলি

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গল্প : বাকিটা রহস্য

ছবি
বুক থেকে বিরাট একটা পাথর নেমে গেল। স্কুল ছুটি হয়ে গেছে। পুরো ডিসেম্বর কেবল মজা আর মজা। আমার নাম লিখন, ক্লাস সেভেনে পড়ি, মানে পড়তাম, এখন এইটে। স্কুল এবং কোচিংকে একমাসের ছুটি দিয়ে বাসায় ফিরছি। পেছন থেকে দৌড়ে এসে কে যেন কাঁধে ধরল। রাফাত, রোগা-পাতলা, চোখে চশমা। ওকে আমার ঠিক আমার বয়সী লাগে না। কথাবার্তা খুব গম্ভীর প্রকৃতির, তবে প্রচন্ড পড়ুয়া ছেলে। বলতে গেলে তাকে আমার কাছে ছোটখাটো সাইন্টিস্ট মনে হয়। ভুল বললাম, শুধু আমার না। আমরা সবাই ওকে সাইন্টিস্ট বলে ডাকি । সারাদিনই কোন না কোন এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে পড়ে থাকে। বাসার ছাদে একটা ছোট্ট ঘর আছে রাফাতের। সেখানে সে ছোটখাট একটা ল্যাবরেটরি তৈরি করেছে।দেখলে মনে হয় অনেক ব্যয়বহুল একটা গবেষণাগার। কিন্তু রাফাত কথা, "এটা সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে আরও কিছু কাজ করতে হবে। কী কাজ জানতে চাইলে "রাফাত ভ্রু কুচক্রে মাথা নাড়তে নাড়তে -- "আছে দোস্ত, কাজ আছে, সময় হলেই জানবি।" সে কোন সময়ের কথা বোঝাতে চায় আমরা তা বুঝতে পারি না। অবশ্য তা নিয়ে মাথাও ঘামাই না। রাফাতের সব কথাই ভারী রহস্যময়। আমরা পাশাপাশি হাঁটছি। "দোস্ত, তোর সাথে কিছু কথা ছিলো রে...

ভ্রমন কাহিনী: পদ্মা সেতুতে এক রাত

ছবি
  ৩ মে, ২০২৩, প্রথম পার্বিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের পরীক্ষা সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২ টা বাজে শেষ হয়। বাসায় আসতে প্রায় ১টা বেজে গেছে। বাসায় এসে গোসল করে খাওয়ার সময় শুনতে পেলাম আমরা নাকি আজকে ঘুরতে যাবে। আমরা মাঝে মধ্যেই ঘুরতে যাই। কিন্তু হঠাৎ পরীক্ষার মধ্যে কেন ঘুরতে যাবো তা বুঝতে পারলাম না। আমার পরবর্তী পরীক্ষা ছিল ৭ তারিখ অর্থাৎ রবিবার তাই আমার কোন সমস্যা ছিল না। দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিলাম। বিকেলে বাবা বাসায় আসল। জানতে পারলাম আজকে বাবু অঙ্কেলের- জন্মদিন। আব্বু বলল তাই আজকে আমরা পদ্মা সেতুতে ঘুরতে যাবো। আমি শুনে খুবই খুশি হলাম। কারণ আমার খুব ইচ্ছা ছিল পদ্মা সেতুতে ঘুরতে যাওয়ার। পদ্মা সেতু হলো আমাদের দেশের মেগাপ্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমি, আম্মু, আব্বু ,ছোট বোন মম, মেজ ফুপিও মেজ মামা আমরা সকলে একসাথে রাত্র ৯ টার সময় বের হলাম। আমাদের সকলের একসাথে যাওয়ার জন্য গাড়ি ভাড়া করা হয়েছে। আমাদের সাথে বাবু অঙ্কেলের পরিবার, রুবেল অঙ্কেল ও সামি ভাইয়া সহ আরও ৩ (তিন)  জন ছিলাম আমরা সবাই রাত ৯ টায় রওনা হলাম। আমরা খুব আনন্দ উল্লাস নিয়ে ঢাকায় ঢুকলাম। কিন্তু যাত্রাবাড়...

এমদাদুল ইসলাম খোকনের ছড়া

ছবি
  (১) গাঁয়ের ছবি আঁকতে বলো আমায় তুমি গাঁ গেরামের ছবি  কওতো দেখি আমিকি আর তোমার মত কবি? আঁকতে গেলে হাত চলে না লিখতে গেলে কলম ফুল আঁকিলে যায় দেখা যায় জাতি সাপের ছলম। আমায় নিয়ে ঠাট্টা করা তোমার কি ভাই সাজে আমি তো আর ভুল ধরি না তোমার কোন কাজে? আমরা হলাম খেটে খাওয়া বনেদি জাত তোমরা মাচার   লাউ নষ্ট  করে দুষ্ট কটা ভোমরা।। গাঁয়ের ছবি মায়ের ছবি আমায় বল আঁকতে কানধরেছি আঁকবো নাতো দেহে  পরান থাকতে। (২) চোখ বুঝিলে বাবা তোমায় আধাঁর রাতে জোনাক জ্বলে একলা একা খোকন চলে - আম কাঠালের বনে, বাবা তুমি কোথায় গেলে একলা একা আমায় ফেলে এখন পরে মনে।। সোনা রুপারসেইকারুকাজ সেই সোনালী দিনগুলি আজ হারিয়ে গেছে কবে - তোমার স্মৃতি ধারণ করি খেড়োখাতার লেখা পড়ি আমরা যারা সবে। পা ফেলানোর জায়গা তো নয় মাথার পরে কঠিন সময় বুকের ভেতর ছাই - অতীত ডেকে বলছে আমায় চোখ বুঝিলে বাবা তোমায় ঠিকই দেখতে পাই।। বাবা তুমি স্বপ্ন গাঁথা সবুজ গাছের ঝরা পাতা তোমায় নিয়ে ভাবি - তুমি ছিলে জীবন জুড়ে নাই বলেই হৃদয় পুড়ে বদ্ধ ঘরের চাবি।। জীবন গাঙে নায়ের মাঝি ...