পোস্টগুলি

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নরসিংদী জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা ও সীমাবদ্ধতা

ছবি
  সাহিত্যের গতিপথ ত্রিভঙ্গিম, সত্য,সুন্দর ও শৈল্পিক। নন্দন মাঠে অনুভূতির ভাষাগত বপনই সাহিত্য।প্রকৃতার্থে সাহিত্য হলো জীবনাচারের ভাষাগত শৈল্পিক  প্রকাশ। ভাষা সৃষ্টির কাল থেকেই মানুষ ভাষাগত অনুভূতি প্রকাশের উপায় খুঁজছে আর সময়ান্তরে তা হয়েছে বিচিত্রমাত্রিক। মানুষের চিন্তাজগত বিচিত্র বলে এর ভাষাগত প্রকাশও বিচিত্র। হাসি-কান্না,সুখ-দু:খ এসব অনুভবের আক্ষরিক আঁচড়েই নান্দনিক হয় সাহিত্যের  সোপান। কথা আর সাহিত্যের মধ্যে পার্থক্য হলো অলঙ্কার আর কাঠামো। যাকে আমরা সাহিত্য বলবো তার নর্ম অনুযায়ী ভাষাগত শরীর ও অলঙ্কার থাকা চাই। অনুভূতির জগত অনেকটা অদৃশ্যমান হলেও সাহিত্য দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান দুই ভঙ্গিমায় হাঁটাচলা করে। প্রকৃতার্থে সাহিত্যের কোনো শিক্ষক বা গুরুজি নেই। কেউ কেউ বলে থাকেন,আছে,লাগে।আমার দৃষ্টিতে এসব লাগেনা।যদি তেমন ভাবে প্রয়োজন হতো তাহলে লালন,রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল সাহিত্য চর্চা করতে পারতেন না। কিছুটা ভাষাজ্ঞান থাকার পরে পরিবেশ,পরিস্হিতি,স্বগত ভাবনার সূক্ষ্ম অনুভূতি গুলো অনুরণন পেলে চেতনার চাতালে হেসে ওঠে সাহিত্যের ফল্গুধারা। আবহমান কাল থেকে আমাদের নরসিংদীর নন্দন হলো তাঁতকাপড়,তরি...