পোস্টগুলি

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফজলুল হক মিলনের ছড়াঃ বাবা বিশাল ছাতা

ছবি
ফুলের সাথে ভাব আছে খুব ফুল যে আমার প্রিয়,  তোকে দিলাম ফাইজা সোনা লাল টুকটুক জবা, বর্ষাকালে কদম ফুলের সুঘ্রাণ তুমি নিও সাওয়াদ সোনা বড় হলে, হবে আলোর প্রভা।  ঢোলকলমী, শাপলা শালুক, বেলী বকুল জুঁই  অলস দুপুর, ক্লান্ত বিকেল সব নিয়ে নিস তোরা  নক্সীকাথায় ছবি আঁকা, রঙিন সূতো, সুই,  সবই তোদের, আমার জন্য শুধুই টাট্টু ঘোড়া। তোদের লাগি খোলা আকাশ, তোদের উড়ার পাখি, ও বাছাধন অবাক হলি, বাবা বিশাল ছাতা, বৃষ্টিভেজা মেঘলা দিনে বই গুছিয়ে রাখি আমি বলি তোরাই আমার নতুন ছড়ার পাতা। ফজলুল হক মিলন (বিশিষ্ট ছড়াকার , সাংবাদিক, কবি)

বাংলা কবিতা: ইতিহাসের বাংলাদেশ

ছবি
  ফিজা ওমেরা স্বাধীনতার সুপ্ত বীজ প্রতিক্ষিত ৪৭। দ্বি-জাতি তত্ত্বে গঠিত ভারত ও পাক, দিয়ে গেল সাম্প্রদায়িক চেতনার ছাপ। ঠিক তখনই পেলো বাঙালি, পূর্ব পাকিস্তান নামক ভূখন্ড। কিন্তু কে জানিত পাকিদের ষড়যন্ত্র? তবু সব মেনে নিয়ে করিল বাঙালি সংযম। পাকরা তাও ছিনিতে চাহিল মোদের বচন। রাজপথ রাঙিল কত তাজা প্রাণে, বায়ান্ন'র ময়দানে। "সেই অনুপ্রেরণায়, যদি না হতো ৫৪, ৫৬ না হতো ৬২, ৬৯ তাহলে পেতামনা হয়তো, হৃদয়ের ৭১। যদি না পেতাম প্রানের মুজিব, না পেতাম ৭ই মার্চ তাহলে কি থাকত আমার, প্রানের স্বাধীনতা আজ। স্বাধীন দেশে স্বাধীন অষায়, গল্প করি কত। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলে, ঘুরি ইচ্ছেমত। কর্ণফুলি টানেল দিয়ে নদীর নিচে ঘুরি। বঙ্গবন্ধু স্যার্টলাইটে, আকাশেতে উড়ি।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার অজানা গল্প

ছবি
আমাদের গ্রামের নাম পীরপুর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত একটি গ্রাম। সেই গ্রামের একজন সূর্য সন্তানের গল্প বলছি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর দিকে আমাদের গ্রামের সব তরুণদের মতো তিনিও গ্রাম পাহারা দিতেন। গ্রামে তৎকালীন সময়ে বাম রাজনীতির ঘাঁটি ছিল। সেখানে গোপনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো। যা পাকিস্তান সরকার জানতো। ফলে গ্রামে প্রায় সময়ই পাকিস্তানিরা হামলা করতো এবং সাধারন মানুষকে নির্যাতন করত। এসব দেখে সেই মুক্তিসেনা শুধু গ্রাম পাহারায়ই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন নি। চেয়েছিলেন লড়াই করে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে। এছাড়াও একটি বিষয় তিনি সর্বদা ভাবতেন। তিনি মনে করতেন তাঁর চেয়ে যারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারীরা যদি যুদ্ধ করতে পারে, তাহলে সে কেন পারবে না? তিনি ও সংকল্প করলেন যুদ্ধে যাবেন। তারপর তিনি তাঁর ভাবনার কথা তাঁর বাবা কে জানান, বাবা রাজি হলেন। বাবার সম্মতিক্রমে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৯৭১ সালের ১৪ জুন তিনি ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ওখানে গিয়ে তিনি সর্বপ্রথম বামদের একটি ঘাঁটি (গ্রাফস হোস্টেল ) আগরতলায় যান। সেখান থেকে যান ছাত্র ইউনিয়ন ক্যাম্প বরদোয়ালি। বরদোয়ালি থেকে তখনকার অগ্নিকন্যা বেগম মতিয়া চৌধু...