লেখক: Md Mahamudul Hasan বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটিরও বেশি মানুষের এই রাষ্ট্রে সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত, উত্তেজনা ও সংঘাত—সবকিছু ঘুরপাক খায় দলীয় কাঠামোর ভেতরেই। দল মানেই মতভেদ—এটি স্বাভাবিক। কিন্তু দল মানেই যদি দলাদলি, সহিংসতা, ক্ষমতার লড়াই এবং পারিবারিক উত্তরাধিকার—তবে প্রশ্ন তুলতেই হয়: আমরা কি অন্য কোনো পথ কল্পনা করতে পারি না? আমি বিশ্বাস করি, জনগণের সরাসরি ভোটাধিকার অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু সেই ভোট কোনো দলীয় প্রতীক বা ব্যানারের অধীনে নয়—বরং ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। দলনিরপেক্ষ কিন্তু গণতান্ত্রিক আমার প্রস্তাব একটি দলনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা, যেখানে— সব প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন শিক্ষাগত, পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ড বাধ্যতামূলক হবে দুর্নীতিমুক্ত ও অপরাধমুক্ত রেকর্ড থাকতে হবে সম্পদ ঘোষণা বাধ্যতামূলক থাকবে এতে জনগণ ব্যক্তি নির্বাচন করবে, দল নয়। মন্ত্রণালয়ভিত্তিক সরাসরি নির্বাচন প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ খাত—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থ, কৃষি—এর জন্য আলাদা নি...
– হাওয়াই মিঠাই ব্লগে একজন সচেতন অভিভাবকের লেখা আলোচনার সূত্রপাত সম্প্রতি ৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সরকার যখন কিন্ডারগার্টেন এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষার আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সমাজে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কারও কাছে এটি শিশুদের জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ, আবার অনেকের দৃষ্টিতে এটি একটি স্পষ্ট বৈষম্য। এই লেখায় আমি কোনো পক্ষকে ছোট করতে চাই না। বরং বলতে চাই, শিক্ষা যেন প্রতিযোগিতা নয়, অধিকার হয়ে থাকে । কিন্ডারগার্টেনের উত্থান: বাস্তবতা না বোঝার ফাঁক বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেন ব্যবস্থার শুরু হয়েছিল ১৯৭০-এর দশকে , শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর চাহিদা পূরণে। আজ তা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা-উপজেলা ছাড়িয়ে গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে কিন্ডারগার্টেনে ১৫-২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অনেক পরিবারই সীমিত আয়ের মধ্যেও সন্তানের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায়। আমরা কেউ চাই না বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অহরহ গজিয়ে উঠুক। আমরা চাই— প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুর বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করুক। ...
মাননীয় স্পিকার, আজ স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে রাস্তার পাশে বড় বড় কিছু সাইনবোর্ড চোখে পড়ল। সেগুলো সবই গার্লস ও বয়েজ স্কুলে ভর্তি কোচিংয়ের বিজ্ঞাপন। দৃশ্যটি নতুন কিছু নয়, কিন্তু বারবার চোখে পড়লে প্রশ্ন জাগে—আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি? কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করছি, ক্লাসের মেধাবী কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে আসছে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তারা স্কুল সময়েই কোচিংয়ে ব্যস্ত। বিষয়টি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গভীর সংকটের প্রতিফলন। আমরা এমন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে বিদ্যালয় বা কলেজের পাঠদান যেন ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে—শিক্ষার মূল চাবিকাঠি এখন আর বিদ্যালয়ে নয়, বরং কোচিং সেন্টারের হাতে। সেখানে অল্প সময়ে, সীমিত পরিসরে, “পরীক্ষায় আসবে”—এমন কিছু নির্দিষ্ট অংশ পড়িয়ে ভালো ফলাফলের নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে। ফলে পুরো বই পড়া, বিষয়বস্তুকে গভীরভাবে বোঝা বা সৃজনশীল চিন্তার চর্চা—এসব যেন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে। এই প্রবণতা আমাদের জন্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে আমরা একই চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি। গতানুগতিক শিক্ষা পদ্ধতি, পরীক্ষাভিত...
আমার মামার লিখা কবিতা, মাশাল্লাহ্...😍😍😍
উত্তরমুছুন