মাননীয় স্পিকার, আজ স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে রাস্তার পাশে বড় বড় কিছু সাইনবোর্ড চোখে পড়ল। সেগুলো সবই গার্লস ও বয়েজ স্কুলে ভর্তি কোচিংয়ের বিজ্ঞাপন। দৃশ্যটি নতুন কিছু নয়, কিন্তু বারবার চোখে পড়লে প্রশ্ন জাগে—আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি? কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করছি, ক্লাসের মেধাবী কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে আসছে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তারা স্কুল সময়েই কোচিংয়ে ব্যস্ত। বিষয়টি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গভীর সংকটের প্রতিফলন। আমরা এমন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে বিদ্যালয় বা কলেজের পাঠদান যেন ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে—শিক্ষার মূল চাবিকাঠি এখন আর বিদ্যালয়ে নয়, বরং কোচিং সেন্টারের হাতে। সেখানে অল্প সময়ে, সীমিত পরিসরে, “পরীক্ষায় আসবে”—এমন কিছু নির্দিষ্ট অংশ পড়িয়ে ভালো ফলাফলের নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে। ফলে পুরো বই পড়া, বিষয়বস্তুকে গভীরভাবে বোঝা বা সৃজনশীল চিন্তার চর্চা—এসব যেন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে। এই প্রবণতা আমাদের জন্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে আমরা একই চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি। গতানুগতিক শিক্ষা পদ্ধতি, পরীক্ষাভিত...
লেখক: Md Mahamudul Hasan বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটিরও বেশি মানুষের এই রাষ্ট্রে সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত, উত্তেজনা ও সংঘাত—সবকিছু ঘুরপাক খায় দলীয় কাঠামোর ভেতরেই। দল মানেই মতভেদ—এটি স্বাভাবিক। কিন্তু দল মানেই যদি দলাদলি, সহিংসতা, ক্ষমতার লড়াই এবং পারিবারিক উত্তরাধিকার—তবে প্রশ্ন তুলতেই হয়: আমরা কি অন্য কোনো পথ কল্পনা করতে পারি না? আমি বিশ্বাস করি, জনগণের সরাসরি ভোটাধিকার অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু সেই ভোট কোনো দলীয় প্রতীক বা ব্যানারের অধীনে নয়—বরং ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। দলনিরপেক্ষ কিন্তু গণতান্ত্রিক আমার প্রস্তাব একটি দলনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা, যেখানে— সব প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন শিক্ষাগত, পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ড বাধ্যতামূলক হবে দুর্নীতিমুক্ত ও অপরাধমুক্ত রেকর্ড থাকতে হবে সম্পদ ঘোষণা বাধ্যতামূলক থাকবে এতে জনগণ ব্যক্তি নির্বাচন করবে, দল নয়। মন্ত্রণালয়ভিত্তিক সরাসরি নির্বাচন প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ খাত—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থ, কৃষি—এর জন্য আলাদা নি...
আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত প্রবণতা হলো—রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কোনো উন্নয়ন কাজ হলে সেটিকে একজন ব্যক্তি, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতার কৃতিত্ব হিসেবে তুলে ধরা। কিন্তু বাস্তবতা বুঝতে হলে আমাদের দেখতে হবে একটি কাজ আসলে কীভাবে সম্পন্ন হয়। প্রথমে একটি সহজ উদাহরণ ধরা যাক। কোনো স্কুলে যদি নতুন একটি ভবন নির্মাণ করা হয়, সেটি কি শুধুই প্রধান শিক্ষকের কাজ? না। অর্থ আসে প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে, পরিকল্পনায় যুক্ত থাকেন শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি, কাজ বাস্তবায়ন করেন প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা। প্রধান শিক্ষক এখানে দায়িত্ব পালন করেন, তদারকি করেন, নেতৃত্ব দেন—কিন্তু পুরো কাজটি তাঁর একার নয়। তাই সঠিকভাবে বলা উচিত, এটি প্রতিষ্ঠানের কাজ, যা তাঁর নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও একই কাঠামো কাজ করে। যেমন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সরকারের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু একটি সেতু, রাস্তা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, শ্রমিক এবং সর্বোপরি জনগণের অর্থায়নে। অর্থাৎ, এটি একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া—একজন ব্যক্তির একক প্রচেষ্টার ফল নয়। প্রশাসনিক কাঠামোতে...
আমার মামার লিখা কবিতা, মাশাল্লাহ্...😍😍😍
উত্তরমুছুন