এমদাদুল ইসলাম খোকনের ছড়া
(১)
গাঁয়ের ছবি
আঁকতে বলো আমায় তুমিগাঁ গেরামের ছবি
কওতো দেখি আমিকি আর
তোমার মত কবি?
আঁকতে গেলে হাত চলে না
লিখতে গেলে কলম
ফুল আঁকিলে যায় দেখা যায়
জাতি সাপের ছলম।
আমায় নিয়ে ঠাট্টা করা
তোমার কি ভাই সাজে
আমি তো আর ভুল ধরি না
তোমার কোন কাজে?
আমরা হলাম খেটে খাওয়া
বনেদি জাত তোমরা
মাচার লাউ নষ্ট করে
দুষ্ট কটা ভোমরা।।
গাঁয়ের ছবি মায়ের ছবি
আমায় বল আঁকতে
কানধরেছি আঁকবো নাতো
দেহে পরান থাকতে।
(২)
চোখ বুঝিলে বাবা তোমায়
আধাঁর রাতে জোনাক জ্বলে
একলা একা খোকন চলে -
আম কাঠালের বনে,
বাবা তুমি কোথায় গেলে
একলা একা আমায় ফেলে
এখন পরে মনে।।
সোনা রুপারসেইকারুকাজ
সেই সোনালী দিনগুলি আজ
হারিয়ে গেছে কবে -
তোমার স্মৃতি ধারণ করি
খেড়োখাতার লেখা পড়ি
আমরা যারা সবে।
পা ফেলানোর জায়গা তো নয়
মাথার পরে কঠিন সময়
বুকের ভেতর ছাই -
অতীত ডেকে বলছে আমায়
চোখ বুঝিলে বাবা তোমায়
ঠিকই দেখতে পাই।।
বাবা তুমি স্বপ্ন গাঁথা
সবুজ গাছের ঝরা পাতা
তোমায় নিয়ে ভাবি -
তুমি ছিলে জীবন জুড়ে
নাই বলেই হৃদয় পুড়ে
বদ্ধ ঘরের চাবি।।
জীবন গাঙে নায়ের মাঝি
দৃপ্ত পায়ে চলতে রাজি ,
বাবা তোমার মুখখানি -
সব প্রেরণার মূলে তুমি
তোমার পায়ে যাব চুমি
পাই যদি গো সুখখানি।
এমদামুল ইসলাম খোকন
ছড়াকার, লেখক, ইতিহাস বেত্তা,
সাংবাদিক, কবি।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন