পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বৃত্তি পরীক্ষা ও শিশুর অধিকার: বৈষম্যের বিপরীতে যুক্তির ভাষা

ছবি
– হাওয়াই মিঠাই ব্লগে একজন সচেতন অভিভাবকের লেখা আলোচনার সূত্রপাত সম্প্রতি ৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সরকার যখন কিন্ডারগার্টেন এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষার আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সমাজে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কারও কাছে এটি শিশুদের জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ, আবার অনেকের দৃষ্টিতে এটি একটি স্পষ্ট বৈষম্য। এই লেখায় আমি কোনো পক্ষকে ছোট করতে চাই না। বরং বলতে চাই, শিক্ষা যেন প্রতিযোগিতা নয়, অধিকার হয়ে থাকে । কিন্ডারগার্টেনের উত্থান: বাস্তবতা না বোঝার ফাঁক বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেন ব্যবস্থার শুরু হয়েছিল ১৯৭০-এর দশকে , শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর চাহিদা পূরণে। আজ তা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা-উপজেলা ছাড়িয়ে গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে কিন্ডারগার্টেনে ১৫-২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অনেক পরিবারই সীমিত আয়ের মধ্যেও সন্তানের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায়। আমরা কেউ চাই না বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অহরহ গজিয়ে উঠুক। আমরা চাই— প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুর বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করুক। ...

শিশুদের খেলাধুলা ও স্বাস্থ্য: বিকাশের ভিত্তি

ছবি
ভূমিকা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশু মানেই একটি সদা-কৌতুহলী ও শক্তিতে ভরপুর প্রাণ, যার স্বাভাবিক প্রবণতা হলো দৌড়ানো, লাফানো, আবিষ্কার করা ও মেতে ওঠা নানান খেলায়। তবে আধুনিক সময়ে প্রযুক্তির অপব্যবহার, নগরায়ণ, জায়গার অভাব ও পরীক্ষানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে শিশুদের খেলাধুলা ও স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা সময়ের দাবি। খেলাধুলা ও শারীরিক স্বাস্থ্য শিশুদের সুস্থ জীবনের জন্য নিয়মিত খেলাধুলা অপরিহার্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, ৫-১৭ বছর বয়সী শিশুদের প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা উচিত। এই সক্রিয়তা শিশুর হাড়, পেশি, হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। নিয়মিত খেলাধুলা করলে – স্থূলতা প্রতিরোধ করা যায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় হজমশক্তি ও ঘুমের মান উন্নত হয় মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, ফলে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটে ফুটবল, ক্রিকেট, দৌড়, সাঁতার কিংবা দড়িলাফ – যে কোনো ধরণের খেলাধুলা শিশুদের শরীরকে সচল রাখে এবং রোগ-ব্যাধির ঝুঁ...